আপনি জানেন কি? – ২০৫১

এখন পর্যন্ত পৃথিবীর সবচেয়ে অতিকায় গাছের তালিকায় জায়গা দখল করে আছে ক্যালিফোর্নিয়ার সিক্যুয়া ন্যাশনাল পার্কে অবস্থিত প্রায় ৫২,৫০০ কিউবিক ফিট উচ্চতাসম্পন্ন সিক্যুয়া জেনারেল শেরমেন। তবে কেবল উচ্চতার দিক দিয়েই নয়, বয়সেও আর সব গাছকে ছাড়িয়ে গিয়েছে জেনারেল। জাতীয় উদ্যানের এই গাছটিকে প্রায় ২,০০০-৩,২২০ বছরের প্রাচীন বলে ধারণা করা হয়।


আপনি জানেন কি? – ২০৫০

“রেফেলশিয়া আরনোল্ডি” নামের মতোই বেশ বিশাল আকারের এই ফুলটিকে মনে করা হয় এখন অব্দি খুঁজে পাওয়া পৃথিবীর সবচেয়ে বড়ো ফুল। ইন্দোনেশিয়ার রেইনফরেস্টে জন্ম নেওয়া এই ফুলগুলো আকারে তিন ফুট ও ওজনে প্রায় ১৫ পাউন্ড হয়ে থাকে।  অদ্ভূত এই ফুলগাছটি আকারে ৭ ফুট এবং ওজনে ১৭০ পাউন্ড পর্যন্ত পৌঁছতে পারে।


আপনি জানেন কি? – ২০৪৪

ইউরোপ এবং নর্থ আমেরিকায় এক প্রজাতির মাশরুম পাওয়া যায় যার নাম Inky cap mushroom কিংবা বাংলায় বলা যেতে পারে ‘কালিমাথা’ মাশরুম। এই প্রজাতির ছত্রাকের মাশরুমের (ফ্রুট বডি) থেকে কালি চুঁইয়ে পড়ে।


আপনি জানেন কি? – ২০২২

সূর্যমুখী ফুল আসলে সূর্যকে অনুসরন করে না। সূর্যমুখী ফুলের নিজস্ব একটি ঘড়ি আছে, তা অনুসারে চলে।


আপনি জানেন কি? – ১৯২০

কিছু কিছু গাছের প্রজাতির ক্ষেত্রে দেখা যায় পূর্ণ বয়স্ক পাশাপাশি থাকা গাছের চূড়া নিজেদের স্পর্শ করছে না এবং নালা জাতীয় ফাঁকের সৃষ্টি হয়েছে দুই গাছের ডালপালার মাঝখানে। এরূপ প্রাকৃতিক ঘটনাকে Crown shyness বলা হয়।


আপনি জানেন কি? – ১৯০৩

অামেরিকার আলাস্কা স্টেটে উৎপাদন করা সবজি আকারে তুলনামূলক অনেক বড় হয়। এর কারন হচ্ছে সবজিগুলো প্রায় ২০ ঘণ্টা সূর্যের আলো পায়!


আপনি জানেন কি? – ১৭৮০

পর্যটকদের জন্য অন্যতম আকর্ষনীয় একটি স্থান হলো ইন্দোনেশিয়ায় অবস্থিত বালি দ্বীপপুঞ্জ এবং এই দ্বীপপুঞ্জে যে উদ্ভিদকুল রয়েছে তা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এবং বৈচিত্রময় উদ্ভিদকুল।