ভারতের বিপক্ষে ১৯৭৫ সালের বিশ্বকাপে দ্বিতীয় উইকেটে ১৭৬ রানের জুটি গড়েন ডেনিস অ্যামিস আর কেথ ফ্লেচার এবং এটিই বিশ্বকাপে প্রথম শত রানের জুটি। তাদের জুটি ভাঙেন আবিদ আলি। এক উইকেটে ৫৪ রান থেকে দলকে ২৩০ রান পর্যন্ত নিয়ে যান ডেনিস অ্যামিস আর কেথ ফ্লেচার।

Read More


বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত এক ম্যাচে কোনো ফিল্ডার পাঁচটি ক্যাচ নিতে পারে নি। তাই এ রেকর্ডের পাশে নামের ঘরটা খালি। ২০১৯ বিশ্বকাপে কেউ এক ম্যাচে পাঁচ ক্যাচ নিলেই তিনি হয়ে যাবেন প্রথম।

Read More


বিশ্বকাপে প্রথম উইকেটরক্ষক হিসেবে পাঁচটি ডিসমিসালের কীর্তি ভারতের উইকেটরক্ষক সৈয়দ মুজতবা হোসেন কিরমানির। ১৯৮৩ বিশ্বকাপে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পাঁচ ডিসমিসাল করেন তিনি। পাঁচটিই ছিল ক্যাচ।

Read More


১৯৮৭ সালের বিশ্বকাপে হয় প্রথম হ্যাটট্রিক। নাগপুরে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেছিলেন ভারতের ডানহাতি পেসার চেতন শর্মা। প্রথমে বোল্ড করেন কেন রাদারফোর্ডকে। ২৬ রান করেন তিনি। পরের দুই বলে বোল্ড করেন যথাক্রমে ইয়ান স্মিথ আর ইউয়েন চ্যাটফিল্ডকে। এটি ছিল আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ক্রিকেটের তৃতীয় হ্যাটট্রিক।

Read More


বিশ্বকাপে প্রথম পাঁচ উইকেটও হয়েছিল প্রথম বিশ্বকাপের প্রথম দিনেই। লিডসে অস্ট্রেলিয়ার ২৭৮ রানের জবাব দিতে নেমে ২০৩ রান করে অলআউট হয় পাকিস্তান। অস্ট্রেলিয়ার পেসার ডেনিস লিলি ১২ ওভারে ৩৪ রানের বিনিময়ে ৫ উইকেট শিকার করেছিলেন।

Read More


২০১৫ সালে দ্বিশতকের দেখা পায় ক্রিকেট বিশ্বকাপ। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে বিশ্বকাপে এ কীর্তি গড়েন ক্যারিবিয়ান হার্ড হিটার ক্রিস গেইল। ১৪৭ বলে ২১৫ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল ১০ চার আর ১৬ জয়।

Read More


বিশ্বকাপের প্রথম ডাকের তিক্ত অভিজ্ঞতা শ্রীলঙ্কার সাবেক অধিনায়ক অনুরা তেন্নেকুনের। উইন্ডিজের বিপক্ষে এ ম্যাচে ৪ বলে ০ রান করে শিকার হন বার্নার্ড জুলিয়েনের। ম্যাচটিতে ৮৬ রানে গুটিয়ে যায় লঙ্কানরা।

Read More


ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২০০০ সালে ইংল্যান্ডের হয়ে অভিষেক হওয়ার পর ৮ বছর খেলেছেন ম্যাথু হগার্ড। এ সময়ে ৬৭ টেস্ট ক্যারিয়ারে ৩.২৬ ইকোনোমি রেটে ৩০.০৫ গড়ে ২৪৮ উইকেট শিকার করেন তিনি। হগার্ড ছিলেন অসাধারণ একজন টেস্ট খেলোয়াড়।২০০৩ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড দলে জায়গা পান তিনি। তবে কোনো ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি।

Read More


২০০০ সালে অভিষেক হওয়ার পর দীর্ঘ ১৩ বছর নিউজিল্যান্ডের হয়ে খেলেছেন ডান হাতি মিডিয়াম ফাস্ট বোলার ক্রিস মার্টিন। ৭১ টেস্টে ৩.৩৭ ইকোনোমি রেটে এবং ৩৩.৮১ গড়ে ২৩৩ উইকেট শিকার করেন তিনি। তবে ওয়ানডে দলে কদাচিত তিনি নির্বাচকদের নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছেন। আর বিশ্বকাপ দলে কখনই সুযোগ পাননি তিনি।

Read More


অস্ট্রেলিয়ার সর্বকালের সেরা ওপেনারদের একজন ছিলেন জাস্টিন ল্যাঙ্গার।  একজন কার্যকর ড্রাইভার এবং বল কাটার ছিলেন তিনি। ক্যারিয়ারে ১০৫ টেস্টে ৪৫.২৭ গড়ে ল্যাঙ্গারের রান ৭৬৯৬। তবে ওয়ানডেতে তিনি কখনোই সাফল্য পাননি। ল্যাঙ্গার মাত্র ৮টি ওয়ানডে খেলেছেন এবং যে কারণে তিনি কখনোই অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ দলে জায়গা পাননি।

Read More