কুয়াসিমোডো সিনড্রোম বা বডি ডিসমরফিক ডিসঅর্ডার এমন এক ব্যাধি যেটায় আক্রান্ত হলে রোগী নিজেই নিজের খুঁত বের করতে মরিয়া হয়ে পড়বে। নিজের ছোটখাট শারীরিক ত্রুটিও আক্রান্ত ব্যক্তির কাছে বড় হয়ে দেখা দিবে।

Read More


অ্যাডেল সিনড্রোমে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই মেয়েরা বেশি আক্রান্ত হয়। লাজুক, নির্ভরশীল এবং কুমারী মেয়েরাই এই অসুখে বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকে।

Read More


সাইক্রিয়াটিস্টরা সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখেছেন যে, অ্যাডেল সিনড্রোমে আসক্তি তামাক, অ্যালকোহল বা ক্রেপটোম্যানিয়া আসক্তির মতই ভয়াবহ যা রোগীর শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি করে। এ ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যক্তি বিষন্নতায় ভুগতে থাকে এবং তারা নিজেই নিজেকে নানাভাবে কষ্ট দিতে থাকে, নিজেই নিজেকে বিভিন্নভাবে ধোঁকা দিতে থাকে, কারো কোন উপদেশ মানতে চায়না, বেপরোয়া আচরণ করতে থাকে […]

Read More


ফ্রেঞ্চ লেখক ভিক্টোর হুগোর কন্যা অ্যাডেল হুগোর নামানুসারে একটি রোগের নামকরণ করা হয় এবং রোগটির নাম হলো অ্যাডেল সিনড্রোম।এই রোগে আক্রান্ত রোগীরা প্রেমিক / প্রেমিকার প্রতি ভয়াবহ ভাবে আসক্ত হয়ে যায় এবং এটা যে একধরণের অসুস্থতা তা অনেকেই মানতে চায় না।

Read More


মানুষের অন্ত্রে বাসা বাঁধা ক্লস্ট্রিডিয়াম ডিফিসিল সমস্যার সমাধানে আবিষ্কৃত ফিকাল ট্রান্সপ্লান্ট ধারণার মূল বিষয় হলো একজন সুস্থ-স্বাভাবিক, স্বাস্থ্যবান মানুষের মলের ভালো ব্যাকটেরিয়া সংগ্রহ করে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে ঢুকিয়ে দেয়া হবে। এর ফলে ভালো ব্যাকটেরিয়াগুলো ওই ব্যক্তির অন্ত্রে প্রবেশ করে ক্লস্ট্রিডিয়াম ডিফিসিলের বাঁচার উপযোগী বিরান পরিবেশ নস্যাৎ করে দেবে, আর ঐ ব্যক্তির প্রাণ হারানোর শঙ্কা দূর […]

Read More


ক্লস্ট্রিডিয়াম ডিফিসিল (C. difficile) নামক এক বিশেষ শ্রেণীর ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে মানুষের অন্ত্রে ইনফেকশন হয়, যা পরবর্তীতে এমনকি প্রাণঘাতি রূপও ধারণ করতে পারে। এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করে ফিকাল ট্রান্সপ্লান্ট বা মল সংস্থাপন।

Read More


একজন মানুষের রক্ত যেমন অন্য আরেকজনের রক্তনালীতে প্রবেশ করানো যায়, কিংবা একজনের কিডনি আরেকজনের শরীরে প্রতিস্থাপন করা যায়, তেমনই একজন মানুষের মলের উপকারী ব্যাকটেরিয়া অন্য আরেকজন মানুষের পরিপাকতন্ত্রে সংস্থাপন করা যায়।

Read More


গবেষণায় দেখা গেছে যে, প্রতি ৬০ জন মানুষের নাভিতে প্রায় আড়াই হাজার আলাদা আলাদা প্রজাতির ব্যাকটেরিয়া বসবাস করে থাকে।

Read More


গবেষকরা মনে করে থাকেন যে, নাভি যে স্থানে থাকে তার উপর অনেকাংশে তাদের সাঁতার কাটা এবং দৌড়ানো নির্ভর করে থাকে।

Read More


পাখিদের খাদ্য গেলার জন্য অভিকর্ষজ বলের প্রয়োজন হয়। অর্থাৎ, কোনো পাখিকে যদি চাঁদে নিয়ে খাবার খেতে দেয়া হয় তবে সেটি খাবার গিলতে পারবে না!

Read More