জঙ্গলের একটি বৃক্ষকে কেটে ফেলা হলে অন্যান্য বৃক্ষগুলো মাইসেলিয়ামের মাধ্যমে সেটি বুঝতে পারে। আক্রান্ত বৃক্ষের বেঁচে থাকার প্রয়োজনীয় সুগার, পানি এবং অন্যান্য খনিজ মাইসেলিয়ামের মাধ্যমে অন্য বৃক্ষগুলো প্রেরণ করে থাকে। ফলে, কেটে ফেলার পরও একটি বৃক্ষ যুগ যুগ বেচে থাকতে পারে।

Read More


মাইসেলিয়াম হলো বৃক্ষদের জন্য যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম এবং এই মাইসেলিয়াম একটি জঙ্গলকে একটি কমিউনিটিতে পরিণত করে।

Read More


জঙ্গলের মাইসেলিয়াম থেকে উৎপন্ন মাশরুম যা আসলে জননাঙ্গ তা বাতাসে কোটি কোটি স্পোর ভাসিয়ে দেয় এবং এসব স্পোর আদ্র জায়গা পেলে মাটির নিচে নতুন মাইসেলিয়াম গড়ে তোলে।

Read More


মাইসেলিয়ামের তুলনায় মাশরুম খুবই ক্ষুদ্র আর এই মাশরুমের নিচেই রয়েছে বিস্তীর্ণ অঞ্চলব্যাপী এক প্রাকৃতিক ইন্টারনেট যা বৃক্ষরাজি ব্যবহার করে থাকে।

Read More


বৃক্ষরা যে মাইসেলিয়াম অর্থাৎ ফাঙ্গাস বা ফাঙ্গাস সদৃশ ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান করে থাকে সেই মাইসেলিয়ামের জনন অঙ্গ হলো মাশরুম।

Read More


বৃক্ষরা মাইলেসিয়াম এর মাধ্যমে বার্তা, সমবেদনা এমনকি পুষ্টি দ্রব্যও আদান-প্রদান করে থাকে।

Read More


পৃথিবীর ৯০ শতাংশ বৃক্ষ কোন না কোন মাইসেলিয়াম অর্থাৎ ফাঙ্গাস বা ফাঙ্গাস সদৃশ ব্যাকটেরিয়া কলোনির নেটওয়ার্কে যুক্ত।

Read More


বৃক্ষের নেটওয়ার্কের ফাইবার হিসাবে যে মাইসেলিয়াম ব্যবহৃত হয়, সেই মাইসেলিয়াম হলো ফাঙ্গাস বা ফাঙ্গাস সদৃশ ব্যাকটেরিয়া কলোনির মূল দেহ।

Read More


বৃক্ষগুলো যে একে অপরের সাথে ইলেক্ট্রোকেমিক্যাল সিগন্যালের মাধ্যমে বার্তা আদান প্রদান করে থাকে, সেখানে নেটওয়ার্কের ফাইবার হিসাবে কাজ করে মাইসেলিয়াম।

Read More


জঙ্গলের বৃক্ষগুলো ইলেক্ট্রোকেমিক্যাল সিগন্যালের মাধ্যমে একে অপরের সাথে বার্তা আদান প্রদান করে থাকে। আর এই প্রক্রিয়া ঘটে খুবই সূক্ষ্মভাবে এবং ধীর গতিতে।

Read More