দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সাবমেরিনের হামলায় বাণিজ্যিক জাহাজগুলো বা এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ারগুলো সাগরে ধ্বংস হওয়া ঠেকাতে ফ্রিগেট, ডেস্ট্রয়ার শ্রেণীর উচ্চগতির সাবমেরিন হান্টার যুদ্ধজাহাজগুলো দিয়ে এদের এস্কর্ট করা তথা নিরাপত্তা দেয়া হতো।

Read More


প্রথমদিকে ক্রুজার মডিফাই করে ক্যারিয়ার বানানো হতো দেখে এদের এয়ারক্রাফট ক্রুজার বলা হত। একইসাথে পানিতে অবতরণ করতে পারে এমন বিমান দিয়ে সি-প্লেন ক্যারিয়ারও বানানো হয়েছিল।

Read More


এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ারগুলো তাদের টাইপ, সাইজ ও রোল অনুযায়ী বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত, যার বেশিরভাগই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিলুপ্ত হয়ে গেছে।

Read More


পার্ল হারবার আক্রমণে এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার দিয়ে জাপান যেমন যুক্তরাষ্ট্রকে নাজেহাল করেছে, তেমনই নৌ-যুদ্ধে জাপানের পরাজয়ের পেছনে মার্কিন ক্যারিয়ারগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। এসব জাহাজ প্রথম বিশ্বযুদ্ধ থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত হওয়া প্রতিটি বড় বড় যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

Read More


১৯২২ সালে জাপান প্রথম ‘হোসো’ নামে সত্যিকারের এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার বানায়। এরপরই শক্তিশালী নৌবাহিনীগুলো বিমানবাহী বিশেষ ধরনের যুদ্ধজাহাজ বানানোতে মনোযোগ দেয়।

Read More


অনেকেই ব্রিটিশদের ‘এইচএমএস আর্গাস’ (১৯১৮)-কে প্রথম এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার বললেও কথাটি সত্য নয়। এটি পূর্বে একটি যাত্রীবাহী জাহাজ ছিল, পরে এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ারে রুপান্তর করা হয়।

Read More


প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় বড় বড় মালবাহী ও কয়লাবাহী জাহাজ, ক্রুজার শ্রেণীর ভারী যুদ্ধজাহাজগুলোকে মডিফাই করে বিমান উড্ডয়ন-অবতরণের উপযোগী করা হত।

Read More


প্রথম বিশ্বযুদ্ধে বিমানগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ১৯১৪ সালের সেপ্টেম্বরে জাপানি রাজকীয় নৌবহর থেকে জার্মান নৌবহরের ওপর এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার থেকে হামলা করা হয়।

Read More


১৯০৩ সালে রাইট ভ্রাতৃদ্বয় বিমান উদ্ভাবনের পর তারা নিশ্চয়ই ভাবতেও পারেননি যে ভবিষ্যতের যুদ্ধের অন্যতম এক হাতিয়ার তারা বানিয়ে ফেলেছেন। ১৯১১ সালের ১ নভেম্বর লিবিয়ার ত্রিপোলিতে ইতালি-তুরস্কের যুদ্ধে বিমান থেকে প্রথম হাত দিয়ে বোমা ফেলা হয়।

Read More


নিলামে ভক্সওয়াগন এর কাছে হেরে গেলেও রোলস-রয়েসের আশা ছাড়েনি বিএমডব্লিউ। নানা দেন-দরবারের পর ভক্সওয়াগনের সাথে একটি চুক্তি করতে সক্ষম হয় তারা। চুক্তি অনুযায়ী রোলস-রয়েস উৎপাদনের অধিকার পায় বিএমডব্লিউ এবং ত্রিশের দশকে রোলস-রয়েসের অধিগ্রহণকৃত বেন্টলি গাড়ির মালিকানা থেকে যায় ভক্সওয়াগনের কাছে। এই চুক্তির মধ্য দিয়ে শেষ হয় রোলস-রয়েস এবং বেন্টলির সাত দশকের পথচলা।

Read More