মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম নেওয়া হুগো শ্যাভেজের বাবা-মা দুজনেই ছিলেন শিক্ষক, সাত ভাইবোনের মধ্যে ছিলেন দ্বিতীয়। প্রত্যন্ত অঞ্চলে বেড়ে ওঠা শ্যাভেজ শৈশবে খুব কাছ থেকে দেখেছেন ভেনিজুয়েলার দারিদ্র্য আর বৈষম্যের শিকার হওয়া মানুষদের।

Read More


ভেনিজুয়েলায় দুর্নীতি আর বৈষম্য দূর করতে সামরিক বাহিনীর একটা অংশ বিদ্রোহ করে ১৯৯২ সালে। ব্যর্থ সেই বিপ্লবকে নেতৃত্ব দেওয়া লেফটেন্যান্ট কর্নেল হুগো শ্যাভেজ দ্রুতই হয়ে উঠেন নাগরিকদের প্রত্যাশার প্রতীক ।

Read More


১৫২২ সাল থেকে প্রায় দুশো বছর স্প্যানিশ উপনিবেশিক শাসনের অধীনে ছিল ভেনিজুয়েলা। প্রথমে স্পেনিশদের সাথে যুদ্ধ করে আর পরে কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে ভেনিজুয়েলার স্বাধীনতা আসে ১৮৩০ সালে।

Read More


রাশিয়ার বিপ্লব শুরু হয় ১৯১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে, জার দ্বিতীয় নিকোলাস ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়ানোর একমাসের মাঝেই। বলশেভিক দলের লোকেরা জারকে তার পরিবারসহ গৃহবন্দী করে। সেখানেই তাদের হত্যা করা হয়।

Read More


বাবা পিটার এর মতো তার ছেলে রাশিয়ান জার পলকেও অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে হত্যা করা হয়। পলের পতনের পর ১৮০১ সালের মাঝামাঝি সময়ে রাশিয়ার জার হিসেবে শাসনভার গ্রহণ করেন ক্যাথরিনের প্রিয় নাতি আলেক্সান্দার।

Read More


১৭৯৬ সালের ১৬ নভেম্বর সেন্ট পিটার্সবার্গের উইন্টার প্যালেসে মৃত্যুবরণ করেন ক্যাথরিন। হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন বলে রাজপরিবারের পক্ষ থেকে ঘোষণা দেয়া হয়। একই দিন রাশিয়ার জার হিসেবে অভিষিক্ত হন তার ছেলে পল।

Read More


ক্যাথরিন এর সময় বিদ্রোহের কারনে তার নির্দেশে পুগাচেভকে গ্রেফতার করে ফাঁসিতে ঝুলানো হয়। ভবিষ্যতে যাতে কেউ এভাবে দ্বিতীয়বার বিদ্রোহের সাহস করতে না পারে সেজন্য জনসম্মুখে পুগাচেভের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ কাটা হয়।

Read More


ক্যাথরিন এর শাসনামলে ভূমি দাসদের একাংশ বিদ্রোহে জড়িয়ে পড়ে। আর এই বিদ্রোহের সমর্থন যোগানো ইয়েমিলেয়ান পুগাচেভ নিজেকে ক্যাথরিনের বিতাড়িত স্বামী হিসেবে দাবি করে। প্রকৃতপক্ষে এই ঘটনাটি হাস্যকর মনে হলেও বিদ্রোহের কারণে প্রায় ১,৫০০ অভিজাত ব্যক্তিবর্গ নিহত হন যার দায় কোনোভাবেই এড়িয়ে যেতে পারেননি ক্যাথরিন।

Read More


বেশিরভাগ ইতিহাসবিদ একমত যে, ক্যাথরিন তার স্বামীকে খুন করার ইচ্ছা পোষণ করলে কখনোই নির্বাসনে যাওয়ার অনুমিত দিতেন না। বরঞ্চ আইনের মুখোমুখি করে শাস্তি দিতেন। ইতিহাসবিদরা আরও মনে করেন, ক্যাথরিনের প্রেমিক অরলভ পথের কাঁটা একেবারে পরিষ্কার করার নিমিত্তে পিটারকে হত্যা করেছিলেন।

Read More


১৭৬২ সালের ২৮ জুন অভ্যুত্থান সফল হওয়ায় পিটারের পতন নিশ্চিত হয়। সেনাবাহিনী তাকে আটক করে রোপশা নামক গ্রামে নিয়ে যায়। সেখানে পিটারকে গ্রিগরি অরলভের ভাই গ্রিগরিভিচের হেফাজতে রাখা হয়। কিছুদিন পর সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন পিটার। মৃত্যুর পর রাজপরিবারের পক্ষ থেকে বিবৃতিতে জানানো হয় যে, তিনি হাইমোরোহাইডাল কোলিকে ভুগছিলেন।

Read More