গরমের মাসগুলোতে একটি রানী মৌমাছি গড়ে প্রতিদিন ১৫০০ ডিম পাড়ে।

Read More


জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার দেওয়া হিসাবে বিশ্বে প্রতিদিন ৬ কোটি ২০ লাখ মুরগির জন্ম হয়।

Read More


হামবোল্ট প্রজাতির পেঙ্গুইন প্রতিবার গড়ে দুটি করে ডিম পাড়ে। এক বছরে বড়জোর দুবার ডিম দিতে পারে। কিন্তু সবগুলো ডিম রক্ষা করা সম্ভব হয়না। হিসাব করে দেখা, বিশ্বের এই প্রজাতির পেঙ্গুইনের জন্ম হয় প্রতিদিন গড়ে মাত্র ৪০টি। ফলে এই প্রজাতির পেঙ্গুইন হুমকির মুখে পড়েছে।

Read More


ব্রিটেনে এক হিসাবে বলা হয়, সে দেশের বনজঙ্গলে বাচ্চা জন্ম দেওয়ার উপযুক্ত চার কোটি খরগোশ রয়েছে। একটি মাদি খরগোশ তার জীবদ্দশায় সাতবার পর্যন্ত বাচ্চা জন্ম দিতে পারে। প্রতিবার বাচ্চা হয় তিন থেকে সাতটি। সেই হিসাবে ব্রিটেনেই প্রতিদিন গড়ে ১৯ লাখেরও বেশি খরগোশের বাচ্চা জন্ম হচ্ছে। তবে  খরগোশের বাচ্চার মৃত্যুহার খুব বেশি হওয়ার সিংহভাগেরই মৃত্যু হয়।

Read More


হেনড্রা ভাইরাস প্রথম চিহ্নিত হয় অস্ট্রেলিয়ায়। এ রোগটিও বাদুড় থেকেই হয় এবং ঘোড়া ও মানুষ ভয়াবহভাবে আক্রান্ত হতে পারে। ১৯৯৪ সালে ব্রিসবেনের একটি শহরতলীতে এটির প্রথম প্রাদুর্ভাব দেখা যায়।

Read More


১৯৯৮ সালে মালয়েশিয়ায় শূকরের মধ্যে প্রথম নিপাহ ভাইরাস রোগ চিহ্নিত হওয়ার পর সেখানকার কৃষি শহর নিপাহ’র নামে ভাইরাসটির নামকরণ হয়েছে।

Read More


নিপাহ ভাইরাস বাদুড় থেকে পশুপাখি ও মানুষের মধ্যেও সংক্রমিত হতে পারে। জ্বর, বমি কিংবা মাথা ব্যথা এ রোগের লক্ষ্মণ। মানুষ কিংবা পশুপাখি কারও জন্যই কোন প্রতিষেধক এখনো বের হয়নি।

Read More


বিড়াল সাধারণত মাংসাশী প্রাণী হলেও যখন ঘাস পাতা খেতে শুরু করে তখন খুব অদ্ভুত লাগে। আসলে বিড়ালের ঘাস খাবার পেছনে কারণ হলো এরা ঘাস থেকে এক ধরণের ভিটামিন পায়। কখনো কখনো নিজের গা চুলকাতে গিয়ে মুখে জড়িয়ে যাওয়া পশম ছাড়াতেও এরা ঘাসের সাহায্য নেয়।

Read More


যখন অসুস্থতা বা বয়সের কারনে রানী মৌমাছি নেতৃত্ব প্রদানের জন্য অযোগ্য মনে করা হয় তখন রানী মৌমাছির চারপাশে অন্যান্য মৌমাছিরা গুচ্ছ/cluster তৈরি করে রাখে যতক্ষণ না পর্যন্ত রানী মৌমাছি অতিরিক্ত উত্তাপের কারনে মারা যায়। বিষয়টি Cuddle Death (মৃত্যু আলিঙ্গন) নামে পরিচিত

Read More


Swansea Jack হচ্ছে বিখ্যাত একটি কুকুরের নাম যেটি তার জীবনকালে (১৯৩০-১৯৩৭) মোট ২৭ জন মানুষকে ডুবে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে তাদের জীবন বাঁচিয়েছিল। কুকুরটি Black-Retriever প্রজাতির ছিল। কুকুরটি অনেক পুরস্কার জিতেছিল এবং ২০০০ সালে কুকুরটির নাম দেওয়া হয় ‘Dog of the Century’

Read More