পেরু বিশ্বের একমাত্র দেশ যেখানে একসাথে ৬৫০ টি প্রজাতির পাখিকে দেখা গিয়েছে।

Read More


আর্ডভার্ক নামক প্রাণীটির স্ত্রী প্রজাতি সাত ধরে গর্ভ ধারণ করার পর একটি মাত্র শাবক প্রসব করে থাকে এবং সদ্যজাত শাবকের ওজন হয়ে থাকে ২ কেজির মতো। তবে এরা পূর্ণবয়ষ্ক হলে এদের ওজন ৪০-৪৫ কেজি হয়ে থাকে।

Read More


আর্ডভার্ক নামক প্রাণীটি সাধারণত একাকী বিচরণ করে থাকে। শুধুমাত্র প্রজনন ঋতুতে স্ত্রী এবং পুরুষ আর্ডভার্ক কিছুদিন একসাথে কাটায়।

Read More


ইউরোপীয় ভ্রমণকারীরা যখন আর্ডভার্ক নামক প্রাণীটি প্রথমবার দেখেন তখন তারা একে শুকরের নিকটতম প্রজাতি হিসেবে বিবেচনা করেছিলেন। তাই তারা প্রাণীটির এরুপ নামকরন করেছিলেন। তবে পরে দেখা গেছে এগুলো শুকর জাতীয় প্রানী নয়।

Read More


আর্ডভার্ক জাতীয় প্রাণির পায়ের থাবা তুলনামূলক বড় এবং শক্তিশালী যার মাধ্যমে এরা মাটি খুঁড়ে পোকামাকড় বের করে খায়। তবে এই প্রাণীর দৃষ্টি শক্তি খুব একটা প্রখর না।

Read More


আর্ডভার্ক জাতীয় প্রাণির প্রধান খাবার হলো পিঁপড়া, ঘুণপোকা বা উইপোকা। এরা সাধারণত এদের আঠালো জিহবার সাহায্যে খুব সহজেই গর্ত থেকে উইপোকা বা ঘুণপোকা ধরে খেতে পারে।

Read More


আর্ডভার্ক নামক প্রাণীটি আফ্রিকার শুষ্ক এবং আর্দ্র আবহাওয়ায় বসবাস করে। এরা আফ্রিকার ত্রিনাঞ্চলের নিশাচর এবং গর্তে বসবাসকারী একটি স্তন্যপায়ী প্রাণী বিশেষ।

Read More


আর্ডভার্ক নামের এক প্রকার প্রাণী আছে এবং আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় সবকটি দেশেই এই প্রাণীকে কমবেশী দেখা যায়।

Read More


পিগমি মারমোসেট গোষ্ঠীটির সদস্যরা ভোকাল, রাসায়নিক এবং ভিজ্যুয়াল সংকেত সহ একটি জটিল পদ্ধতি ব্যবহার করে যোগাযোগ করে। এই তিনটি মূল কলিং সংকেত দূরত্ব এবং প্রয়োজনের উপর নির্ভর করে তারা ব্যবহার করে থাকে।

Read More


অনিন্দ্য সুন্দর প্রাণী পিগমি মারমোসেটকে পোষা প্রাণী হিসাবে লালন পালন করা এখোনো অনেক দেশেই বৈধ। যার কারণে এরা প্রচুর পরিমাণে পাচারের শিকার হয় এবং দিন দিন এদের সংখ্যা কমে আসতেছে।

Read More