প্যারটফিশ নামক একটি মাছের ক্ষেত্রে দেখা গেছে ঘুমের সময় সেটির শরীর থেকে জেলির মতো তরল পদার্থ নিঃসৃত হয়, যা তাকে সুরক্ষিত রাখে।

Read More


বিজ্ঞানীরা কিছু মাছকে বাধ্য করেছিল কম ঘুমাতে, এবং তারপর দেখা গেছে ইনসমনিয়া রোগীদের মতোই ওই মাছগুলোরও প্রাত্যহিক ঘুমের পরিমাণ হ্রাস পেয়েছে।

Read More


জেব্রা মাছের ক্ষেত্রে একটি খুবই আগ্রহোপদ্দীপক ব্যাপার আবিষ্কৃত হয়েছে। এই অদ্ভূর ধরনের মাছটি অনেক সময় ঠিক মানুষের মতোই ইনসমনিয়ায় ভোগে।

Read More


হাঙ্গরের সবসময় নিজের ফুসফুসে অবাধ বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা রাখতে হয়। তাই ঘুমের মধ্যেও তারা বাধ্য হয় সাঁতার কাটতে। এজন্য তারা ঘুমন্ত অবস্থায়ও চোখ বন্ধ করে না, কিংবা আরইএম ঘুমে প্রবেশ করে না।

Read More


মাছের ঘুম তাদের পরিবেশ ও কাজের পরিমাণের উপর অনেক বেশি নির্ভরশীল। যেমন অ্যাকুরিয়ামে যে মাছ বাস করে, সেটি ওই ঘরের বা ভবনের আলো জ্বলা-নেভার উপর ভিত্তি করে নিজের ঘুমের চক্রকে সাজিয়ে নেয়।

Read More


মাছ যখন ঘুমায় তখন তারা একদম স্পন্দনহীনভাবে জলাধারের নিচে পড়ে থাকে। তবে কিছুক্ষণ পরপর তারা পাখনা ঝাড়া দেয়, যাতে তারা স্থির ও ভাসমান থাকতে পারে।

Read More


সাপের মতো প্রাণীদের থাকে স্বচ্ছ ত্বক, যা চোখের পাতার কাজ করে। কিন্তু যেহেতু সেগুলো আলোকভেদ্য, তাই সহজে বোঝা যায় না একটি সাপ ঘুম নাকি সজাগ। কেবলমাত্র একটি সাপ পুরোপুরি সোজা হয়ে থাকলেই অন্য কেউ বুঝতে পারে যে সাপটি আসলেই ঘুমিয়ে আছে।

Read More


একটি সাম্প্রতিক গবেষণা থেকে জানা যাচ্ছে, সরীসৃপদের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ান বেয়ার্ডেড ড্রাগনের নাকি আরইএম ঘুম হয়।

Read More


সরীসৃপদের সেরেব্রাম বা গুরুমস্তিষ্ক থাকে না। আর বিজ্ঞানীরা ইতঃপূর্বে ভাবত, আরইএম ঘুম বুঝি কেবল উচ্চ বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন প্রাণীর ক্ষেত্রেই ঘটে। তবে, কিছু ক্ষেত্রে তা সরীসৃপদের বেলাতেও ঘটে।

Read More


সরীসৃপদের ঘুমের প্রকৃতিতে অনেক বৈচিত্র্য রয়েছে। টিকটিকি যে ঘুমের চক্রের মধ্য দিয়ে যায়, তা মাত্র ৮০ সেকেন্ড দীর্ঘায়িত হয়, যেখানে মানুষের ক্ষেত্রে তা ৭০ থেকে ১০০ মিনিট। এক রাতে টিকটিকির এমন ঘুমের চক্র থাকে প্রায় ৩৫০টি, যেখানে মানুষের থাকে মাত্র চার থেকে পাঁচটি।

Read More