সরীসৃপদের সেরেব্রাম বা গুরুমস্তিষ্ক থাকে না। আর বিজ্ঞানীরা ইতঃপূর্বে ভাবত, আরইএম ঘুম বুঝি কেবল উচ্চ বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন প্রাণীর ক্ষেত্রেই ঘটে। তবে, কিছু ক্ষেত্রে তা সরীসৃপদের বেলাতেও ঘটে।

Read More


সরীসৃপদের ঘুমের প্রকৃতিতে অনেক বৈচিত্র্য রয়েছে। টিকটিকি যে ঘুমের চক্রের মধ্য দিয়ে যায়, তা মাত্র ৮০ সেকেন্ড দীর্ঘায়িত হয়, যেখানে মানুষের ক্ষেত্রে তা ৭০ থেকে ১০০ মিনিট। এক রাতে টিকটিকির এমন ঘুমের চক্র থাকে প্রায় ৩৫০টি, যেখানে মানুষের থাকে মাত্র চার থেকে পাঁচটি।

Read More


কিছু পাখি, যেমন সোয়েইনসন থ্রাশ, মার যাওয়া ঘুম পুষিয়ে নিতে মাঝেমধ্যে ‘পাওয়ার ন্যাপ’ নেয়। আবার কিছু পাখি আত্মরক্ষার ব্যবস্থা করে ঘুমায়।

Read More


হাঁস সব সময় একসারিতে ঘুমায়। মজার ব্যাপার হলো, সারির মধ্যবর্তী হাঁসগুলো দুই চোখ বন্ধ করে ঘুমালেও, সারির দুই প্রান্তের হাঁসগুলো এক চোখ খোলা রেখে ঘুমায়। এ থেকে বোঝা যায়, দুই প্রান্তের হাঁসগুলোও ইউনিহেমিসফেরিক ঘুম ঘুমায়, যাতে করে তারা সবসময় পাহারা দিতে পারে, এবং সম্ভাব্য আক্রমণকারীর হাত থেকে নিজের দলকে রক্ষা করতে পারে।

Read More


গ্যালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জের ফ্রিগেট পাখিদের উপর চালানো একটি গবেষণা থেকে উঠে এসেছে, তারা নাকি দিনের পুরোটা সময় সজাগ ও সতর্ক থাকে। রাতের বেলা যখন তারা উড়তে শুরু করে, ঠিক তখনই তারা একবারে কয়েক মিনিট করে হালকা পর্যায়ের ঘুম ঘুমিয়ে নেয়, যাকে বলে স্লো ওয়েভ ঘুম।

Read More


জলচর স্তন্যপায়ীদের মতো কিছু কিছু দেশান্তরী পাখিও এক মস্তিষ্ক সজাগ রেখে ঘুমাতে পারে। ফলে লম্বা সময় তারা বিরতিহীনভাবে উড়ে চলতে পারে।

Read More


স্পার্ম তিমি একদম ঋজুভাবে ঘুমায়, এবং তারা একটি মস্তিষ্ক সজাগ রেখেও ঘুমায় না। বিজ্ঞানীদের বিশ্বাস স্তন্যপায়ী প্রাণীদের মধ্যে এই তিমিরাই সবচেয়ে কম ঘুমায়।

Read More


সদ্যজাত অরকা তিমি এবং তাদের মা কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত না ঘুমিয়ে কাটাতে পারে।

Read More


ডলফিন ঘুমন্ত অবস্থায় জলের উপর ভেসে থাকতে পারে। এ প্রবণতাকে বলা হয় ‘লগিং’। বিজ্ঞানীদের মতে, কিছু ডলফিন এমনকি চক্রাকারে সাঁতার কাটার সময়ও ঘুমিয়ে থাকে। আরেকটি গবেষণায় উঠে এসেছে, ডলফিন নাকি ইউনিহেমিসফেরিক ঘুমের এমন মাত্রা অর্জন করেছে যে, এখন ঘুমন্ত অবস্থায়ও তারা জটিল সব কাজ সম্পাদনে সক্ষম।

Read More


জলবাসী স্তন্যপায়ী প্রাণীদের মস্তিষ্কের একভাগ ঘুমের মধ্যেও ক্রিয়াশীল থাকে, ফলে প্রাণীটি এক চোখ দিয়ে দেখতে পায়, শ্বাসগ্রহণ করতে পারে, এমনকি চলাফেরাও চালিয়ে যেতে পারে। এ ধরনের ঘুমকে বলে ইউনিহেমিসফেরিক ঘুম।

Read More