একবিংশ শতাব্দীতে এসেও গাড়ি নির্মাণের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র দক্ষ কর্মীদের ওপরই নির্ভর করে রোলস-রয়েস। পেইন্টিং থেকে শুরু করে ইঞ্জিন এসেম্বলের জটিল কাজগুলো পর্যন্ত হাতে করা হয়। উদ্দেশ্য একটাই– ক্রেতাদের সবচেয়ে সেরা এবং আকর্ষণীয় একটি গাড়ি উপহার দেয়া।

Read More


নিলামে ভক্সওয়াগন এর কাছে হেরে গেলেও রোলস-রয়েসের আশা ছাড়েনি বিএমডব্লিউ। নানা দেন-দরবারের পর ভক্সওয়াগনের সাথে একটি চুক্তি করতে সক্ষম হয় তারা। চুক্তি অনুযায়ী রোলস-রয়েস উৎপাদনের অধিকার পায় বিএমডব্লিউ এবং ত্রিশের দশকে রোলস-রয়েসের অধিগ্রহণকৃত বেন্টলি গাড়ির মালিকানা থেকে যায় ভক্সওয়াগনের কাছে। এই চুক্তির মধ্য দিয়ে শেষ হয় রোলস-রয়েস এবং বেন্টলির সাত দশকের পথচলা।

Read More


ক্রয় করার মাত্র দশ বছরের মাথায় রোলস-রয়েস বিক্রি করে দেয় ভিকার্স পিএলসি। নিলামে ওঠে রোলস-রয়েস। নিলামে বিএমডব্লিউ কোম্পানি ৩৪০ মিলিয়ন ইউরো হাঁকালেও ভক্সওয়াগনের কাছে হেরে যায় তারা। কারণ, রোলস-রয়েসের মতো সোনার ডিম পাড়া হাঁসের জন্য ভক্সওয়াগন ৪৩০ মিলিয়ন ইউরো খরচ করতেও পিছপা ছিল না। ফলে রোলস-রয়েস এর মালিকানা পেয়ে যায় ভক্সওয়াগন।

Read More


১৯৮০ সালে রোলস-রয়েস কিনে নেয় ভিকার্স পিএলসি নামের একটি কোম্পানি। ভিকার্স-পিএলসির অধীনে রোলস-রয়েসের প্রথম গাড়ির মডেলটি ছিল ‘সিলভার স্পিরিট’। এটি বাজারে আসে ১৯৮১ সালে। প্রায় একই সময় এই মডেলের আরেকটি ভার্সন ‘সিলভার স্পার’ও বাজারজাত করে তারা। দু’টি গাড়িই ছিল বেশ বড় আকারের এবং বিলাসবহুল।

Read More


ক্যাথরিন যখন সিংহাসনে আরোহন করেন তখন রাশিয়া জুড়ে ভূমি দাসদের দৌরাত্ম্য ছিলো প্রবল। এই প্রক্রিয়ায় পুরুষদের মাঝে শ্রেণীবিভক্তি তৈরি হত। বেশি জমির মালিকেরা অল্প জমির মালিকদের সাথে ক্রীতদাসের মতো আচরণ করত। অতঃপর ক্যাথরিন নতুন ‘নাকাজ’ আইন পাশের মধ্য দিয়ে পুরুষদের মাঝে বিভক্তি দূর করার প্রতিশ্রুতি দেন। আইন প্রণয়ন যতটা সহজ ছিল, বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রে ঠিক […]

Read More


সত্তরের দশকেও আগ্রগতি অব্যাহত ছিল রোলস-রয়েসের। এই দশকে কর্নিশ, ক্যামার্গ, সিলভার শ্যাডো ২ এবং সিলভার রেইদ ২ মডেলের গাড়িগুলো আলোর মুখ দেখে।

Read More


১৯৭৮ সালে বিশ্ব প্রথম ইন ভিট্রো শিশু লুই ব্রাউনকে দেখে। খুব দ্রুতই এই আইভিএফ প্রক্রিয়াটা ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে।

Read More


ষাটের দশক থেকেই রোলস-রয়েস তাদের বিভিন্ন গাড়িতে ৬.৭৫ লিটারের ভি-৮ ইঞ্জিন ব্যবহার করা শুরু করে।

Read More


রোলস-রয়েস এর বিলাসবহুল গাড়ি ফ্যান্টম-৪ এর হাত ধরেই প্রথমবারের মতো ব্রিটিশ রাজপরিবারের সাথে সুসম্পর্ক স্থাপিত হয়। বর্তমান সময়েও সে সুসম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে।

Read More


১৯৫০ সালে রোলস-রয়েস বিরাট সাফল্যের মুখ দেখে। ঐ বছর তারা ফ্যান্টম-৪ নামের একটি অত্যন্ত বিলাসবহুল গাড়ি তৈরি করে। এই মডেলের মাত্র ১৮টি গাড়ি তৈরি করা হয়েছিল, এবং সবগুলোই ছিল ব্রিটিশ রাজ পরিবার ও তাদের উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের জন্

Read More